অথ কলকাত্তাইয়া দুগ্গাপুজো কথা ও সনাতনী শব্দকল্পদ্রুম
সুদীপ ঘোষ

বঙ্গে দুর্গাপুজো ঠিক কবে থেকে শুরু হয়েছে? প্রশ্নটি করা ঠিক যতটা সহজ,উত্তর পাওয়া ঠিক ততটাই কঠিন। তথ্য বলছে বঙ্গে মাতৃআরাধনা প্রাচীন যুগ থেকে শুরু। বঙ্গের আদিবাসী সমাজ মৃত্তিকাকে মা হিসাবে পুজো করা শুরু করেছিলেন প্রাচীন যুগ থেকে। তখন প্রতিমাহীন, অনাড়ম্বর অর্চনাই ছিল একমাত্র নিবেদন। সে যুগে ভূমি বা ভূ-মাই ছিলেন পূজ্য। একভাবে সে অর্চনা আজও বিদ্যমান এই শাক্তগড়ে।
কমবয়েসে দেখেছি, বাঙালি মধ্যবিত্ত যৌথপরিবারে, কালীপুজোর সন্ধ্যায় লক্ষীর পিঁড়িতে উপুড়-চুপুর ধানগাছ আর চৌকির আয়তক্ষেত্রের চারদিকে চারখানি সিঁদুর কৌটো বসিয়ে ঠাকুমার নজরদারিতে ভক্তিভরে অর্চনা হচ্ছে , সামনে জ্বলছে পবিত্র প্রদীপশিখা, বাজছে শঙ্খ। ঠকুরঘরের বাইরে কুলো বাজিয়ে বিদেয় হচ্ছে গোবরের অলক্ষ্মী। তাই এটুকু দায়িত্ত্ব নিয়ে ঘোষণা করতে পারি, একটি প্রাচীন সংস্কৃতির উপর যতই সভ্যতার পরিচ্ছদ চাপানোর চেষ্টা করা হোক, সংস্কৃতিকে সহজে নিকেশ করা ক্ষুদ্র মনুষ্যের কম্মো নয়।
এরপর ব্রাহ্মণ্যধর্ম এসেছে। কৃত্তিবাসী রামায়নের সূত্র ধরে বাংলার মাটি বরণ করেছে সনাতনী অকাল বোধন। শ্রীরামচন্দ্র সিতোদ্ধারে লঙ্কায় পৌঁছে যখন কিছুতেই প্রাচীন ভারতভূমির তলায় একবিন্দু ভূখণ্ডের অধীশ্বর, ব্রহ্মা এবং মহেশ্বরের আশীর্বাদধন্য, স্বউদরে অমৃতভাণ্ডের অধিকারী রাবনকে পরাজিত করতে পারছেন না, তখন অনন্যোপায় রামচন্দ্র স্মরণ নেন দুর্গারূপী গৌরীর। হয় মা’য়ের অকালবোধন। অকালবোধন কেন? কারণ দক্ষিণায়ণে অগ্রসরগামী সূর্যের লগ্নে মা বিশ্রামরত। তাঁকে সে সময়ে জাগ্রত করা থেকে বিরত থাকাই মনুষ্যকাম্য। অবশ্য রামচন্দ্র বিষ্ণু-অবতার। সুতরাং তাঁর এসব ক্ষুদ্র পার্থিব কর্মবিচ্চ্যূতিতে ছাড় আছ। সুতরাং বঙ্গে শুরু হল অকালবোধনের সংস্কৃতি।
কিন্তু বাঙালি সহজে চাপিয়ে দেওয়া কোনও ভাবনাকে স্বীকার করতে রাজি নয়। তাই বাঙালি তৈরী করে নিলো শরৎকালে দুর্গাপূজার নিজস্ব ব্যাকরণ। হিমালয়ের কন্যা ঊমা। শ্মশানবাসী মহেশ্বরকে বিয়ে করে তার কষ্টের শেষ নেই। এদিকে বছর-বছর পোলাপান বিইয়ে চলেছে, অথচ সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়।
শরৎকালে আকাশে আর গাভীর মতো মেঘ আনাগোনা করছে না। হয়েছে শিমুলতুলোর মতো হালকা। মৃদুমন্দ বাতাসে কেমন মন কেমন করা টান। শিউলি গাছ ভরে উঠেছে ফুলে। ঊমার মা মেনকার (মতান্তরে মীনাবতী) ঘরের মেয়েটার জন্য বড় মনকেমন করে। তাই মেনকা স্বামীর কাছে মিনতি করেন:
‘যাও, যাও গিরি, আনিতে গৌরী…’
জামাই মহেশ্বর তো আর গা করবে না, অগত্যা বাপকেই যেতে হবে।
তো এই হলো বাঙালির অকালবোধনের ইতিহাস। একেবারে ছাপোষা বাঙালির মধ্যবিত্ত যাপনচিত্র। যার মধ্যে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে শিমূলতুলোর মতো নরম, তুলতুলে বাঙালি গৃহিণী মাতার আবেগ, বাবার অবিমিশ্র আবেগ, যার মধ্যে যেন মিশে আছে সততার স্বেদ আর শিউলি ফুলের বুনো সুগন্ধ। তা মেয়ে বাড়ি ফিরবে বচ্ছরকার দিনে, আর গৃহে একটু আদরযত্নের আয়োজন হবে না? তাই তো ওই পাঁচটা দিন একটু ভালো মাছ, পাঁঠার মাংসের ব্যবস্থা। ওই পাঁচদিনের মধ্যে কেবল দু’টো দিনই। সপ্তমী আর নবমী। হিমালয় তো বাংলার কৃষক বাপ। তাঁর আর কতই বা রেস্ত? এই যে ধর্মের সঙ্গে নিয়মনীতিবিরুদ্ধ সমাজচিত্রকে রন্ধ্রে-রন্ধ্রে বেঁধে ফেলার অনায়াস প্রয়াস, সেটাই তো বাঙালির বরাবরের জোর, তার ঐকান্তিক গর্ব। এমন জীবনধর্ম এ দেশের আর কোনও জাতির আছে কিনা জানিনা।

একটু দেখে নেওয়া যাক বাঙালি এই অকালবোধন দুর্গাপূজা শুরু কবে করলো?
১৬০৬ খ্রীষ্টাব্দে অধুনা বাংলাদেশের তাহেরপুরের রাজা কৃষ্ণনাৰায়ণ, (মতান্তরে অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়ার ভবানন্দ মজুমদার) শুরু করেছিলেন এই পুজো নিজেদের ভদ্রাসনে। প্রথম বারোয়ারি দুর্গাপুজো হুগলিতে ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে। কলকাতায় প্রথম বারোয়ারী দুর্গাপুজো শুরু ১৯১০ সালে। আয়োজক ছিল ভবানীপুর সনাতন ধর্মোৎসাহিনী সভা।
আর এটা হলো ২০২৬। মানে ৫২০ (অর্থাৎ পাঁচ শতাব্দীর বেশী সময় পরে) এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে উদয় হয়েছে এক অনির্বচনীয় হিন্দু সনাতন ধর্মবিশ্বাসী দল, যাদের নাম বিশ্ব হিন্দু পরিষদ ওরফে ভি এইচ পি । সৌজন্যে অবশ্যই এই রাজ্যের নবনির্বাচিত শাসকদল। তো এই হিন্দু পরিষদ শুরুতেই এক তথাকথিত ‘আবেদন’ জারি করে দিয়েছে ২০২৬-এর দুর্গাপূজা ঠিক কীভাবে পালিত হওয়া উচিৎ পশ্চিমবঙ্গে, সেই নিয়ে আগস্টের একেবারে শেষে এসে। পরিষদের সদস্যদের ঘুম হয়তো এখন ভেঙেছে, কিন্তু যাঁরা এই ‘অনুরোধ’টি রাখছেন, তাঁরা কি খবর রাখেন কলকাতার বারোয়ারি পুজো কমিটিগুলি ঠিক কবে থেকে বছরের পুজোটির জন্য তৈরী হতে শুরু করেন? এখন এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেই তথাকথিত ‘আবেদন’গুলিকে:
১) পূজামণ্ডপে আমিষ খাদ্য বর্জনীয়।
২) পূর্ণ সনাতনী মতে পূজার্চনা।
৩) প্রতিমা হবে সনাতনী। শিল্পের দোহাই দিয়ে প্রতিমাকে অন্যরকম মুদ্রায় যেন গড়া না হয়।
৪) দশমীর দিনই যেন প্রতিমা নিরঞ্জন হয়।
৫) প্রতিমা দর্শনে যে কেউ স্বাগত, ধর্ম , জাতি নির্বিশেষে; কিন্তু আয়োজকদের নজর রাখতে হবে যেন সনাতন ধর্মের সম্মান বজায় থাকে।
অর্থাৎ বাঙালিকে তার একান্ত আপন পুজো কীভাবে করা উচিৎ, তার পাঠ পড়ানো হচ্ছে সে পুজোর রেওয়াজ চালু হওয়ার ৫০০ বছরেরও অধিক পরে। কারা দিচ্ছে? এমন একটি সংগঠন যাদের জন্ম ১৯৬৪ সালের ২৯ অগস্ট। ভাবুন কী উদ্ভট উলটপুরাণ। দুধের শিশু হঠাৎ শিক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংসারের কর্তাকে।
তাহলে একটু শশাঠান্ডা মাথায় একবার ভাবা যাক তথাকথিত ‘অনুরোধ’গুলি নিয়ে।
১) পূজামণ্ডপে আমিষ খাদ্য বর্জনীয়।
এতদিন তো পুজো দেখছেন শহরটায়। কখনও কি চোখে পড়েছে প্রতিমার সামনে কোনও দর্শনার্থী মাংসের বিরিয়ানি বা মাটন কাটলেট খাচ্ছেন? এমন একটি ‘আবেদন’ হাস্যোদ্রেকের অধিক আর কীই বা করতে পারে? বালখিল্য মতামত ভেবে ক্ষমাঘেন্নাও করে দিতে পারেন।
২) পূর্ণ সনাতনী মতে পূজার্চনা।
এই ‘পূর্ণ সনাতনী মত’ ব্যাপারটা ঠিক কী? সর্বজনীন পুজোয় পশুবলি হয় না। আর পূজা উপাচার তো নির্দেশ মেনেই হয়ে থাকে। অন্য কোনও বিষয় তো ওঠে না? ব্যক্তিগতভাবে কখনও মণ্ডপের অন্দরে হোমাগ্নি দেখিনি, তবে মনে করি যেহেতু জ্বলনশীল পদার্থে তৈরী যে কোনও পূজামণ্ডপই,তাই অগ্নিকাণ্ড এড়াতে না হওয়াই মঙ্গলজনক।
আর আসল পুজোটা তো হয় ঘটে, যাকে দেবীর গর্ভের রূপে দেখা হয়। সেটি নিরঞ্জনেরও ব্যবস্থা থাকে দেবী মূর্তির সঙ্গেই। ঘটে নিরঞ্জন না হলে নিরঞ্জন সিদ্ধ হয় না।
৩) প্রতিমা হবে সনাতনী। শিল্পের দোহাই দিয়ে প্রতিমাকে অন্যরকম মুদ্রায় যেন গড়া না হয়।
এই ‘সনাতনী প্রতিমা’ বিষয়টি ঠিক কী? ঈশ্বরকে কলিযুগে কেউ চোখে দেখেছে? কিংবা কোনও শাস্ত্রে কোথাও পরিষ্কার করে লেখা আছে তিনি কেমন দেখতে? তাঁর চোখ, নাক, মুখ ঠিক কেমন ? কিংবা কেমন তাঁর ভ্রূ ভঙ্গী? তৃতীয় নয়ন টাই বা কেমনভাবে প্রজ্জ্বলিত? ক’বছর আগে অতিমারীর শেষে একটি বারোয়ারি পুজো যে পরিযায়ী শ্রমিক মাতৃমূর্তিকে, কাঁখে সন্তানকে নিয়ে, হাতে পুঁটুলি, হাঁটছেন, মাতৃমূর্তির রূপ দিয়েছিল, তিনিও কি সেই একই মরমী দেবীমূর্তি নন?
আর প্রতিমার রূপ ক্যামন হবে, তাতো সেই বিশ্বকর্মা পুজোরও আগে ঠিক হয়ে গিয়েছে। কত তরুণ ভাস্কর, কত গরিব মূর্তিকার কাঠামোতে মাটি লেপে ফেলেছেন। কুমোরটুলি, কালীঘাটে স্টুডিওগুলোয় তো প্রতিমায় রং ল্যাপা চলছে, তৈরী হয়ে গিয়েছে ছাঁচ।

দেবীপুরাণ বলছে:
‘জটাজুটসমাযুক্তামৰ্দ্ধেন্দুকৃতশেখরাম্।
লোচনত্রয়সংযুক্তাং পুর্ণেন্দুসদৃশাননাম্॥
অতসীপুষ্পবর্ণাভাং সুপ্রতিষ্ঠাং সুলোচনাম্।
নবযৌবনসম্পন্নাং সর্ব্বাভরণ ভূষিতাম্॥
সুচারুদশনাং তদ্বৎ পীনোন্নতপয়োধরাম্।
ত্রিভঙ্গস্থানসংস্থানাং মহিষাসুরমর্দ্দিনীম্॥
মৃণালায়তসংস্পৰ্শ-দশবাহুসমন্বিতাম্।
ত্রিশূলং দক্ষিণে ধ্যেয়ং খড়গং চক্রং ক্রমাদধঃ॥
তীক্ষ্ণবাণং তথা শক্তিং দক্ষিণেষু বিচিন্তয়েৎ।
খেটকং পূর্ণচাপঞ্চ পাশমঙ্কুশমেব চ॥
ঘণ্টাং বা পরশুং বাপি বামতঃ সন্নিবেশয়েৎ।
অধস্তান্মহিষং তদ্বদ্বিশিরস্কং প্রদর্শয়েৎ॥
শিরশ্ছেদোদ্ভবং তদ্বদ্দানবং খড়গপাণিনম্।’
অর্থাৎ
জটাজূটধারীনী তিনি, চন্দ্র শোভিতা ত্রিলোচনা এবং অতসী ফুলের গন্ধ তাঁর দেহে
রঙ তাঁর ত্বকে
তাঁর সাজসজ্জা ও অলংকারসমূহ তাঁর যৌবনকে যেন নতুন করে সাজিয়েছে
তাঁর স্তন পীনোদ্ধত, তিনি সর্বাঙ্গসুন্দর
তিনি মহিষাসুর মর্দিনী রুপা, ত্রিভঙ্গ ভঙ্গিতে দণ্ডায়মানা
পদ্মের ডাঁটির মতো নরম তাঁর বাহু দশটি
তাঁর হাতে শোভা পাচ্ছে ত্রিশূল, খড়্গ, চক্র, ধ্যানমুদ্রা, খেটক, ঘণ্টা ইত্যাদি অস্ত্র ক্রমানুসারে
এবং তিনি মহিষাসুরের শিরোশ্ছেদন করছেন।
কিন্তু এই হিন্দু পরিষদের সদস্যেরা যে বিষয় দু’টি সম্বন্ধে অজ্ঞাত, সেগুলি হলো বাঙালির সেই প্রাচীন গৃহস্থ লোককথা, যেখানে সদ্য বিয়ে করা সংসারের আদরের কন্যাটি বাপেরবাড়ি এসেছে তার সন্তানসন্ততি নিয়ে, যাকে বছরের মধ্যে মাত্র পাঁচটা দিন একটু আদরযত্নে রাখতে হবে বাপ-মাকে। আর এই সময়টা এই শহরে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ভ্রমণার্থী আসেন কারণ ওই পাঁচটি দিন এই পোড়া শহরটা তার সমস্ত ধুলোঘাম ঝেড়ে ফেলে হয়ে ওঠে একটি আস্ত ভাস্কর্যের প্রদর্শনীকক্ষ। সেখানে কোনও বিধিনিষেধ চলে না, চলে না কোনও খবরদারি।
৪) দশমীর দিনই যেন প্রতিমা নিরঞ্জন হয়
এইটিই একমাত্র সমর্থনযোগ্য। তবে এখানেও দু’টি অপরিণামদর্শী সমস্যা আছে। প্রথম হলো, যদি কেবল দশমীতেই সব প্রতিমার নিরঞ্জন হয়, তাহলে কত দর্শনার্থীকে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হবে ভাবুন। আর এই শহরে ঠিক কতগুলি বারোয়ারি পুজো হয় তার কোনও হিসেবে আছে ওই বালখিল্য পরিষদ সদস্যদের? তিন থেকে ছয় হাজারের মতো, বারোয়ারি আর আপনার ফ্ল্যাটবাড়ির (মানে যাকে ওই কমিউনিটি বলে আজকাল) পুজো মিলিয়ে। এছাড়া বাড়ির পুজো আছে অগুন্তি। সবকটা প্রতিমা একইদিনে বিসর্জন হলে কলকাতা পুলিশ সামলাতে পারবে তো? যদি ধরেও নিই পারবে, সেদিন কেউ গুরুতর অসুস্থ হলেন না, সবাই বাড়িবন্দীই রইলেন, কারও হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ল না– এতটা আশাবাদী পশ্চিমবঙ্গে নিজের রাজনৈতিক দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বোধহয় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী বা দিল্লির গৃহমন্ত্রীও নন।
৫) প্রতিমা দর্শনে যে কেউ স্বাগত, ধর্ম , জাতি নির্বিশেষে কিন্তু আয়োজকদের নজর রাখতে হবে যেন সনাতন ধর্মের সম্মান বজায় থাকে।
শুরুতে এমন কথা বললেও, ভবিষ্যতে যে তা পাল্টাবে না, একথা কেউ বোধহয় এখনই দায়িত্ব নিয়ে দাবী করতে পারেন না। অন্তত এই সরকারের রকমসকম সেই ২০১৪-য় ক্ষমতায় আসার পর থেকে আজ পর্যন্ত। হিসাব করে, ভেবে দেখলে।
তাহলে আর বাকি কী রইলো? রইলো একটাই কথা। বাংলার রবির কথা:
‘ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে
অন্ধ সে’জন মারে আর শুধু মরে।
নাস্তিক সে’ও পায় বিধাতার বর,
ধার্মিকতার করে না আড়ম্বর।’
ঋণস্বীকার: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
মার্কন্ডেয় পুরাণ (দেবীপুরাণ অংশ)