ট্রামলাইমের প্রতিবেদন

পুজো চলে এলো। মাঝে মাঝেই বর্ষা পেরিয়ে খুলে যাচ্ছে পুজোর আকাশ। ভোট, উচ্ছেদ, ডিম ছোড়াছুড়ি— সবকিছু পেরিয়ে এবারও চলে এল পুজো।
এ বারে পুজো হবে কি না, তা নিয়ে ছিল প্রশ্ন। মোড়ে মোড়ে বাঁশ বাধার চেনা ছবিটা দেখা যাবে কি না, রাজনীতির পালাবদলে তা ছিল অনিশ্চিত। ক্লাবের ফান্ড থেকে পার্কে পুজোর অনুমতি— সবকিছু নিয়েই ছিল সংশয়। হয়তো তা খানিক ছাপও ফেলবে এবারের পুজোয়। কিন্তু, বাঙালির নাড়ির যোগে আছে অকালবোধন। তাই, খুঁটিপুজোর সাথে সাথেই ছড়ালো খুশির হাওয়া…

হয়তো আমরা ভালো নেই সত্যি, কিন্তু বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসে বারেবারেই এসেছে অন্ধকার। এমনকি, বছর খানেক আগে ‘অভয়াকান্ডে’র পরেও পুজো হবে কি না, তাই নিয়ে উঠেছিল প্রশ্ন।
কিন্তু, ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের অজস্র মৃত্যুর মধ্যেও যেমন জেগে থাকে দুর্গাপুজোর আলো, তেমনই মহালয়া, ‘পুজো সংখ্যা’, অষ্টমীর অঞ্জলি বা নবমীর ভাসান… হেরে যাওয়া বাঙালিকে জিতিয়ে দেবেই বারবার।
তাই, বাতাসে শিউলি ফুলের গন্ধ, সন্ধের ল্যাম্পপোস্টের হলুদ আলোয় সেই চেনা বাগবাজার সার্বজনীন বা ম্যাডক্স স্কোয়ার… পুজোর এইসব চেনা ছবি আবার আমরা ফিরে পাব ক’দিন পর থেকেই, এটুকুই প্রত্যাশা।
আপাতত শুরু দিন গোনার পালা…