TramLine
  • Homepage
  • Categories
    • Features
    • Videos
    • Shorts
  • About
  • Contact Us
TramLine
বাবা সন্দীপন সম্পর্কে দু একটা কথা:
September 9, 2026
উত্তর কলকাতার এক বাজারে একদিন
September 8, 2026
রেস্তোরাঁর পচা মাংসের শহরে টাটকা আড্ডায় চলছে কাটাছেঁড়া
September 8, 2026
বৃষ্টি: নীরবতার অনন্ত সঙ্গীত
September 7, 2026
TramLine
  • Homepage
  • Categories
    • Features
    • Videos
    • Shorts
  • About
  • Contact Us
FeaturesFestival

রথের মেলাঃ রথ দেখা এবং কলা বেচার যোগসূত্রে বাঙালি

অরুপরতন চক্রবর্তী
অরুপরতন চক্রবর্তী
July 16, 2026 2 Mins Read
71 Views
0 Comments

অরূপরতন চক্রবর্তী

আশির দশকের কলকাতায় রথের মেলা মানেই ছিল আমার ছোটবেলার সবচেয়ে প্রতীক্ষিত দিনের একটি। রথের দিনটা এলেই সকাল থেকেই মনটা কেমন যেন উড়ু উড়ু করত। নতুন জামা পরে বিকেলের দিকে বাবা-মা, দাদা-দিদি বা পাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে মেলায় যাওয়ার আনন্দটাই ছিল আলাদা। তখন তো শপিং মল, মোবাইল ফোন বা সপ্তাহান্তের বিনোদনের এত রকম ব্যবস্থা ছিল না। তাই রথের মেলাই ছিল আমাদের মতো মধ্যবিত্ত বাঙালি পরিবারের কাছে বছরের অন্যতম বড় উৎসব।

মেলায় ঢুকেই চোখে পড়ত নাগরদোলা, রঙিন আলো, খেলনার দোকান আর মানুষের ভিড়। কত রকমের বাঁশি, কাঠের খেলনা, কাগজের পাখা, বেলুন, মুখোশ— সবই যেন কিনে ফেলতে ইচ্ছে করত! কিন্তু বাড়ি থেকে যে ক’টা টাকা পাওয়া যেত, তার মধ্যেই হিসেব করে খরচ করতে হতো। অনেকক্ষণ ঘোরাঘুরির পর হয়তো একটা বাঁশি বা ছোট্ট খেলনা কিনেই মন ভরে যেত। বাবা-মায়ের সেই চিরচেনা কথা— ‘সবকিছু একদিনে কিনতে নেই’… আজও কানে বাজে।

খাবারের দিক থেকেও রথের মেলা ছিল এক অন্য জগৎ। ঝালমুড়ি, ঘুগনি, পাঁপড় ভাজা, ফুচকা, জিলিপির গন্ধে চারদিক ম-ম করত। বাড়ি থেকে বারবার বলা হতো বেশি বাইরের খাবার না খেতে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটা ঝালমুড়ি বা গরম জিলিপি খাওয়া যেন নিয়মই ছিল।
কাঠের সেই নাগরদোলায় একবার চড়ার জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা, দূর থেকে মাইকে বাজতে থাকা বাংলা গান, আর ভিড়ের মধ্যে পরিচিত কারও সঙ্গে হঠাৎ দেখা হয়ে যাওয়া— এসবই ছিল সেই সময়ের খুব পরিচিত ছবি।

রথ আজও আছে, মেলাও বসে। কিন্তু সেই মেলার চরিত্র যেন অনেকটাই বদলে গিয়েছে। সময়ের স্রোতে হারিয়ে গিয়েছে তালপাতার ভেঁপু, শোলার পাখি, হাতপাখা, তালপাতার সেপাই কিংবা কাগজের কুমির। আর চোখে পড়ে না কাঠের নাগরদোলা, কাচের রঙিন পাখি বা চোরবাগানের বিখ্যাত লাট্টুর দোকান। একসময় যেসব জিনিসই ছিল রথের মেলার অবিচ্ছেদ্য অংশ, আজ সেগুলি কেবল স্মৃতির পাতায়। তবে কিছু ঐতিহ্য এখনও টিকে আছে। আছে জিলিপি আর পাঁপড় ভাজা, গন্ধ এখনও ভেসে আসে মেলার বাতাসে, যেন পুরনো দিনের সঙ্গে বর্তমানের শেষ যোগসূত্র হয়ে।

আজ এত বছর পরে বুঝতে পারি, রথের মেলার আসল আনন্দ শুধু নাগরদোলা বা খেলনা ছিল না। সেটি ছিল একসঙ্গে সময় কাটানোর আনন্দ, অল্পের মধ্যে খুশি খুঁজে পাওয়ার আনন্দ। মধ্যবিত্ত বাঙালি সংসারের সীমিত সাধ্যের মধ্যেও বাবা-মা আমাদের মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করতেন। আজকের আধুনিক বিনোদনের যুগে দাঁড়িয়ে সেই রথের মেলার কথা মনে পড়লে এখনও মনে হয়, জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দগুলো হয়তো সত্যিই খুব সাধারণ আর খুব আন্তরিক ছিল।

Tags:

jagannathdhamkolkatarathyatra2026

Other Articles

Previous

রথের পাঁচালি

Next

গোল্ডেন গেটের সান ফ্রান্সিসকোয় ট্রামলাইন

Next
July 16, 2026

গোল্ডেন গেটের সান ফ্রান্সিসকোয় ট্রামলাইন

Previous
July 16, 2026

রথের পাঁচালি

Related Posts

আশিতে আসিও না…

সৌম্যা ঘোষ
September 11, 2026

বাবা সন্দীপন সম্পর্কে দু একটা কথা:

Tramline
September 9, 2026

উত্তর কলকাতার এক বাজারে একদিন

সৌম্যা ঘোষ
September 8, 2026

রেস্তোরাঁর পচা মাংসের শহরে টাটকা আড্ডায় চলছে কাটাছেঁড়া

অরুপরতন চক্রবর্তী
September 8, 2026
TramLine

© 2026 All Rights Reserved.

Quick Links

  • Homepage
  • Contact Us

Category

  • Shorts
  • Videos
  • Features

Follow Us

Facebook
Instagram
  • Homepage
  • Categories
    • Features
    • Videos
    • Shorts
  • About
  • Contact Us